রমজান মাসে কি কি ধরনের খাবার খাব

  • পোস্ট করা হয়েছে মে ৩রা, ২০২০

রমজান মাসে কি কি ধরনের খাবার খাব

রোজায় দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার কারণে ইফতারের সময় শরীর, মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুকোষ খাবারের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক শক্তির জোগান চায়। তাই ইফতারের খাবারটা হওয়া চাই সহজ সুপাচ্য ।

রমজান মাসে গ্রহণীয় খাবার

  • খেজুর  খাওয়া সব সময়ই ভালো।  এতে আছে ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, আয়রন, কপার, সালফার, ম্যাঙ্গানিজ, সিলিকন, শর্করা, চিনি, সোডিয়াম, ক্যালসিয়াম, ক্লোরিন ফাইবার, যা সারা দিন রোজা রাখার পর খুবই দরকারি।
  • সবজি ফল নিয়মিত খেতে হবে তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্য হওয়ার সুযোগ থাকবে না ।
  • পর্যাপ্ত পানি খেতে হবে , ইফতারের পর থেকে ঘুমাতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত একটু পরপর পানি খেতে হবে।
  • নিয়মমতো সুষম খাবার খেতে হবে যেমন আমিষ, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন, দুধ, দই, মিনারেল, আঁশ ইত্যাদি খেতে হবে
  • আঁশসমৃদ্ধ খাবার যেমন বাদাম, বিনস, শস্য ,লাল আটা, , ছোলা, ডাল ইত্যাদি খেতে হবে।
  • কোষ্ঠকাঠিন্য হলে ইসবগুল খেতে পারেন।
  • প্রতিবেলা মাংস না খেয়ে অন্তত একবেলা মাছ খেতে হবে।
  • সহজপাচ্য খাবার, ঠান্ডা খাবার যেমন দই, চিড়া খাবেন তাহলে পাকস্থলীর ঠিকমতো খাবার হজম করতে সহজ হবে
  • বেশি দুর্বল লাগলে ডাবের পানি বা স্যালাইন খাবেন।

রমজান মাসে বর্জণীয় খাবার   

  • চিনিযুক্ত খাবার বর্জন করা ভালো।
  • কাচা ছোলা খাওয়া ভালো। কিন্তু তেল দিয়ে ভুনা করে না খাওয়া ভালো ।
  • চা, কফির মাত্রা কমাতে হবে। তা না হলে পানিশূন্যতা, কোষ্ঠকাঠিন্য, ঘুমের সমস্যা হতে পারে।
  • সাহরিতে খুব বেশি খাওয়া ভালো তেমনি না খাওয়াও ভালো নয় ।
  • বর্জন করতে হবে ভাজা-পোড়া গুরুপাক খাবার যেমন: ছোলা ভুনা, পেঁয়াজি, বেগুনি, চপ, হালিম, বিরিয়ানি ইত্যাদি বাদ দিতে হবে।
  • কোমল পানীয় ঘুমের সমস্যা, অ্যাসিডিটি, আলসার ইত্যাদির রোগের প্রধান কারণ। কোমলপানীয়কে সব সময়ের  জন্য বর্জন করাই ভালো ।

পেটের এক-চতুর্থাংশ খালি রাখা ভালো যাতে সারা দিন যে পরিমাণ পানি ক্ষরিত হয়, সে পরিমাণ রাতে পান করতে পারেন ।

 

 

 

লেখক
ছাত্র

Ask Doctor Information

আপনি আরও দেখতে পারেন
ডাক্তার